সেদিনের সেই অদ্ভূত মুহুর্ত

আমি দেখেছিলাম তোমার ওই স্বপ্নীল মায়াবি চোখ,
সেই থেকে আমাকে টেনেছ তুমি এক অদ্ভুত প্রেমের অন্তর্জালে,
আমি বেঁধেছিলাম সেদিন তোমার মায়াবি চোখের ক্যামেরায়,
আমি সেই থেকে তোমার প্রত্যাশায় থাকি প্রতিটি প্রহর সকাল-সন্ধ্যায়।
আমি দেখেছি তোমার ওই লাবণ্য দুটি ঠোঁট,
পাপঁড়ী রাঙা কাপাঁ কাপাঁ মৃদু কম্পনে
দেখেছি হাসি ঝরা গোলাপের প্রস্ফুটিত মুখ
শুনেছি সাগরের কল্লোলিত মোহনীয় প্রেমের সূর।
আমি দেখেছি তোমাকে নীল শাড়ীতে মামনিকে কোলে নিয়ে,
দাঁড়িয়েছিলে নদী মহানন্দার তীরে বিমুগ্ধ সন্ধ্যা কাটাতে,
ফুঁটে উঠেছিল মুখায়বে তোমার সূর্যার্স্তের রুপালির রুপ,
আমি অনতি দূর থেকেই দেখেছিলাম তা…।
আমি হতভম্ব হয়েছিলাম সেদিন তোমার ওই কৌতুলী চাহুনিতে,
আর যখন আমার কাছে মোবাইল নাম্বারটা চেয়ে বসলে,
সেদিন আমার কাছে কোন কাগজ ছিলনা বিধায়,
তোমার কোমল হাতের তালুতে লিখতে গিয়ে শিহরিত হয়েছিলাম।
যখন তুমি ওই ঘনসন্ধ্যা উপভোগ করে বিদায় নিলে,
মামনিটা কেঁদে বলতেছিল আম্মু আমার আব্বুর কাছেই থেকে যাব,
তোমার অশ্রুঝরা দৃশ্য আমার নজরে পড়েছিল ওই আবহমান সন্ধ্যায়,
এক অদ্ভূত সময়ের মধ্যে তুমি-আমি একত্র হয়েছিলাম।
[সকাল ১১.৩০ মিনিট ২৯ জুন/২০১১ বুধবার]
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন