বুঝতে বুঝতে এতোটা দূর..
বুঝতে বুঝতেই এতোটা দূর জীবনের সময় পেরিয়ে এসেছি
সেই মাতৃগর্ভ হতে ভূমিষ্ঠ হয়েই বুঝার পাঠক্রমের যাত্রা শুরু
শৈশবের গড়াগড়ি,তারপর শিশুর মতো চঞ্চলতার চড়ই-ফড়িংয়ের খেলা
মা-বাবার কড়া শাসন,ওখানে যাবে না,ওখানে জ্বীনপরী-বাঘ-ভাল্লুক আছে
এতোসব ভয়,সামান্য বুঝতেই ভয়ে কুকড়ে যেতাম,পাখির পালকের মতো-
মায়ের আঁচলে আশ্রয় নিতাম,যেভাবে আশ্রয় নেয় মুরগীর ছানাগুলো বাজপাখির ভয়ে।
এরপর কিশোর জীবনের যাত্রা;স্কুলে নয়তো ক্ষেতখামারে বাবার সাথে হাল চাষ
একটু দেরি হলেই শুরু হত অত্যাচার,শরীরের বিভিন্ন স্থানে লাঠির নির্মম আঘাত
স্কুলে পড়া না হওয়ার মাষ্টারের চাবুকাঘাত,সহপাঠদের সাথে হাসি-ঠাট্টা মারামারি
বুঝতে বুঝতেই প্রাইমারির অধ্যায় শেষ;অত:পর কিশোর পথে যাত্রা শুরু
জীবন তালিকায় নতুন দিনপুঞ্জী,নতুন ফর্মুলা,নয়া উদ্দমতায় সামনে এগিয়ে যাওয়া
পিছিয়ে থাকা জীবনের অর্থ নয়,জীবনকে জানতেই বুঝতে বুঝতে এতোটা দূর..
বুঝতে বুঝতেই কেটে গেছে শৈশব-কিশোর,এখন যৌবনকাল যাওয়ার অপেক্ষা
জীবনকে সুখী করতে কর্মস্থলে দৌড় ঝাপ,সংসারে মাঝিমাল্লার মতো ধরতে হয় হাল
জীবন তরী বইতে থাকে;সংসারে যোগ হয় নতুন অতিথি স্ত্রী-সন্তান,নাতি-নাতনী
চুলে পাক ধরে,দাঁড়ি-গোঁফ সাদা হয়ে আসে এক সময়,গর্বে অহংকার করি,
আরে মিয়া চুল-দাঁড়ি গোঁফ এমনি এমনি পাকেনি;বয়সে পেকেছে-
বুঝতে বুঝতে কাটিয়ে এসেছি এই বয়স,আর কত বুঝাবার চাও……..বলো দেখি?
এবার শেষ বুঝার পালা,জীবনের পরতে পরতে করেছি কতো অন্যায়-অবিচার
অন্যের সম্পদ করেছি আতœসাৎ,মুনাফিকের আচরন নিয়ে কাটিয়েছি জীবন,
অন্যের গীবত গেয়েছি,প্রতারণার ফাঁদে কাউকে করেছি স্বর্বস্বান্ত,করেছি রাস্তার ফকির
অর্থের লোভে কাউকে করেছি নির্মমভাবে খুন,অত্যাচার করেছি স্বীয় যৌবনের তাগিদে
কিছু ভালো কাজও করেছি,বিভিন্ন স্থাপনা-দান দক্ষিণাতেও বাড়িয়েছিলাম স্বীয় হস্ত হাত
আজ সামনে অন্ধকার;কেউ অপেক্ষা করছে আমাকে নিয়ে যাওয়ার,তবুও বুঝতে চেষ্টা করি।
২৯.০১.১৩
সেই মাতৃগর্ভ হতে ভূমিষ্ঠ হয়েই বুঝার পাঠক্রমের যাত্রা শুরু
শৈশবের গড়াগড়ি,তারপর শিশুর মতো চঞ্চলতার চড়ই-ফড়িংয়ের খেলা
মা-বাবার কড়া শাসন,ওখানে যাবে না,ওখানে জ্বীনপরী-বাঘ-ভাল্লুক আছে
এতোসব ভয়,সামান্য বুঝতেই ভয়ে কুকড়ে যেতাম,পাখির পালকের মতো-
মায়ের আঁচলে আশ্রয় নিতাম,যেভাবে আশ্রয় নেয় মুরগীর ছানাগুলো বাজপাখির ভয়ে।
এরপর কিশোর জীবনের যাত্রা;স্কুলে নয়তো ক্ষেতখামারে বাবার সাথে হাল চাষ
একটু দেরি হলেই শুরু হত অত্যাচার,শরীরের বিভিন্ন স্থানে লাঠির নির্মম আঘাত
স্কুলে পড়া না হওয়ার মাষ্টারের চাবুকাঘাত,সহপাঠদের সাথে হাসি-ঠাট্টা মারামারি
বুঝতে বুঝতেই প্রাইমারির অধ্যায় শেষ;অত:পর কিশোর পথে যাত্রা শুরু
জীবন তালিকায় নতুন দিনপুঞ্জী,নতুন ফর্মুলা,নয়া উদ্দমতায় সামনে এগিয়ে যাওয়া
পিছিয়ে থাকা জীবনের অর্থ নয়,জীবনকে জানতেই বুঝতে বুঝতে এতোটা দূর..
বুঝতে বুঝতেই কেটে গেছে শৈশব-কিশোর,এখন যৌবনকাল যাওয়ার অপেক্ষা
জীবনকে সুখী করতে কর্মস্থলে দৌড় ঝাপ,সংসারে মাঝিমাল্লার মতো ধরতে হয় হাল
জীবন তরী বইতে থাকে;সংসারে যোগ হয় নতুন অতিথি স্ত্রী-সন্তান,নাতি-নাতনী
চুলে পাক ধরে,দাঁড়ি-গোঁফ সাদা হয়ে আসে এক সময়,গর্বে অহংকার করি,
আরে মিয়া চুল-দাঁড়ি গোঁফ এমনি এমনি পাকেনি;বয়সে পেকেছে-
বুঝতে বুঝতে কাটিয়ে এসেছি এই বয়স,আর কত বুঝাবার চাও……..বলো দেখি?
এবার শেষ বুঝার পালা,জীবনের পরতে পরতে করেছি কতো অন্যায়-অবিচার
অন্যের সম্পদ করেছি আতœসাৎ,মুনাফিকের আচরন নিয়ে কাটিয়েছি জীবন,
অন্যের গীবত গেয়েছি,প্রতারণার ফাঁদে কাউকে করেছি স্বর্বস্বান্ত,করেছি রাস্তার ফকির
অর্থের লোভে কাউকে করেছি নির্মমভাবে খুন,অত্যাচার করেছি স্বীয় যৌবনের তাগিদে
কিছু ভালো কাজও করেছি,বিভিন্ন স্থাপনা-দান দক্ষিণাতেও বাড়িয়েছিলাম স্বীয় হস্ত হাত
আজ সামনে অন্ধকার;কেউ অপেক্ষা করছে আমাকে নিয়ে যাওয়ার,তবুও বুঝতে চেষ্টা করি।
২৯.০১.১৩
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন