এই মানুষগুলো সভ্যতার কলঙ্কের নকশা
এই মানুষগুলো ভীষণ খারাপ;শয়তানের চেয়ে নিকৃষ্ট
এদের মাথার ওপর আবু জেহেলের বাড়ীর মতোন টয়লেট বানানোর দরকার
মল-মূত্র ফেলার নর্দমার খাল খনন করার দরকার,এরা এতোই জঘণ্য
এদের বুক-পিঠের কোন পাথর্ক্য নেই,শয়তানকেও ধোঁকা দিতে এরা সক্ষম
এরা মানুষ নামের ভয়ংকর এক নোংড়া জানোয়ার,শূয়োর বললেও ভুল হবে না
এরা একই প্লেটে দুধ-মাছ-মাংসের সাথে পায়খানার বর্জ্য তরকারির মতো খেতে পারে
ধর্মের বিচারে এদের মানুষ বলে না,নিকৃষ্ট এক দ্বিপদী মানুষরুপী জানোয়ার ছাড়া!!
এই মানুষগুলো বড়ই ধোঁকাবাজ,মিথ্যাকে সত্য করতে হাজারও নাটক সাজায়
বিবেকহীন নির্দয় হৃদয়,সামান্য স্বার্থ ঊনিশ-বিশ হলেই ধ্বংসযজ্ঞের পায়তারা চালায়
এরা প্রতারক,ধোঁকাবাজ,ভেল্কিবাজ,চোখ ধাঁধানো আতবাজির ভিতর তাসের খেলা খেলে
স্বার্থ ফুরোলেই বিষাক্ত কালনাগের মতো ধ্বংসলীলা খেলতে ফণা তুলে ফুঁস ফুঁস করে
হাজারও কলঙ্কের দাগ আঁচর কাটলেও কিছু মনে করেনা,এরা যে নির্লজ্জ বিশ্ব বেহায়া
অন্ধ বিবেকে স্বীয় কন্যাকে ধর্ষণ কিংবা খুন করে,স্ত্রীকে তুলে দেয় আরেক লম্পটের হাতে
এরা এতোই জঘণ্য যে তাস খেলার মতো অন্যের সাজানো সংসার তছনছ করতে কুন্ঠাবোধ করেনা!
এরা চরম মিথ্যাবাদী,কথায় কথায় ভন্ডপীরের মতো মিথ্যার কারিশমা দেখায়,
মুখোশের আড়ালে এর ছদ্মবেশী ভদ্রলোক সেজে সভ্য সমাজের ভদ্রতার ভাব দেখায়
এরা গোপনে বেশ্যালয়ে নিশি যাপন করে,সামান্য বেশ্যার কাছে সে মাথা নিচু করে
সভ্য সমাজে এসে মুখ রাঙিয়ে বলে-ছি: ছি: কোন যমানায় এসে পড়লাম,ছি: কি জঘন্য ব্যপার
অথচ এরা পতিতার নোংড়া বীর্যের পুকুরে নির্লজ্জের মতো গোসল করে পবিত্রতার ভান করে,
এরা প্রচন্ড লোভী, সামান্য এক কাপ চায়ের বিনিময়ে কয়েকবার বিক্রি হয়ে মনকে করে রদবদল
এরা পাপের কলঙ্ক গায়ে মেখে পবিত্র ধর্মাশালয়ে সাপ্তাহিক দিনটিতে দৃঢ় ইমান্দার সাজার চেষ্টা করে।
এরা জানোয়ারের চেয়েও নিকৃষ্ট; শুয়োর-কুকুরের মতো জাতির হাড়-হাড্ডি সবই খায়
এদের দুজনকে জেনেছি আমি অতি সম্প্রতি,এরা তছনছ করে দিয়েছে নব দম্পতির সুখের সংসার
এক ঘোর রহস্য ধাঁধার ভিতর ফেলেছিল আমাকে,হয়তো ইচ্ছে ছিল আমাকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার
এদের একজন ছিলো আমার স্ত্রীর সহোদর মামা,আরেকজন সম্পর্কিত সূত্রে নানা,
এরা অর্থ লিপ্সায় আমাকে ধ্বংসের মুখে ফেলতে বারবার সাজায় এক একটি নাটকের স্ক্রিপ্ট,
আমাকে ওরা সর্বস্বান্ত করতে ওদের শুরু হয়েছে হাজারও দৌড় ঝাপ,নাটকের পর নাটক,
অথচ ওদের আসল মুখোশ উন্মোচন করে দিলে সভ্য মানুষদের মুখের থুথু শোভা পাবে তাদের অবয়বে।
এরা মুনাফিক,কথায় কথায় গল্প বানিয়ে ধোঁকাবাজির কায়দায় অন্যকে ফাঁদে ফেলে অর্থ রোজগার করে,
রক্তচোষা জোকের মতো চুষতে থাকে যতক্ষণ না আয়ত্তে আনা মানুষটির অর্থ শেষ না হয়,
আমাকেও খেয়েছে ওরা, চুষে চুষে খেয়েছে প্রায় ১৩ থেকে ১৭ হাজার টাকা,কেঁড়ে নিয়ে সুখ-শান্তি
ধ্বংস করেছে দাম্পত্যের জীবন, কলঙ্কের চাঁদরে লেপন করে দু’পরিবারকে ঠেলে দিয়েছে চরম লজ্জায়
এদের আজ মুখোশ উন্মোচনের পালা,এরা সমাজের বিষাক্ত ভাইরাস,ঘাতক পেশায় এরা দালাল
এদের বুক পিঠ নেই,একই গ্লাসে নানা রঙের তরল পদার্থ সেবন করে,যেখানে বিধান এদের কাছে তুচ্ছ
প্রযুক্তির এই সভ্যতায় ওদের মুখোশ খুলে দিতে নতুন করে আবার কলমের আচরে লিখতে শুরু কর লাম।
৬ ফেব্রুয়ারী,১৩। বুধবার।
এই মানুষগুলো ভীষণ খারাপ;শয়তানের চেয়ে নিকৃষ্ট
এদের মাথার ওপর আবু জেহেলের বাড়ীর মতোন টয়লেট বানানোর দরকার
মল-মূত্র ফেলার নর্দমার খাল খনন করার দরকার,এরা এতোই জঘণ্য
এদের বুক-পিঠের কোন পাথর্ক্য নেই,শয়তানকেও ধোঁকা দিতে এরা সক্ষম
এরা মানুষ নামের ভয়ংকর এক নোংড়া জানোয়ার,শূয়োর বললেও ভুল হবে না
এরা একই প্লেটে দুধ-মাছ-মাংসের সাথে পায়খানার বর্জ্য তরকারির মতো খেতে পারে
ধর্মের বিচারে এদের মানুষ বলে না,নিকৃষ্ট এক দ্বিপদী মানুষরুপী জানোয়ার ছাড়া!!
এই মানুষগুলো বড়ই ধোঁকাবাজ,মিথ্যাকে সত্য করতে হাজারও নাটক সাজায়
বিবেকহীন নির্দয় হৃদয়,সামান্য স্বার্থ ঊনিশ-বিশ হলেই ধ্বংসযজ্ঞের পায়তারা চালায়
এরা প্রতারক,ধোঁকাবাজ,ভেল্কিবাজ,চোখ ধাঁধানো আতবাজির ভিতর তাসের খেলা খেলে
স্বার্থ ফুরোলেই বিষাক্ত কালনাগের মতো ধ্বংসলীলা খেলতে ফণা তুলে ফুঁস ফুঁস করে
হাজারও কলঙ্কের দাগ আঁচর কাটলেও কিছু মনে করেনা,এরা যে নির্লজ্জ বিশ্ব বেহায়া
অন্ধ বিবেকে স্বীয় কন্যাকে ধর্ষণ কিংবা খুন করে,স্ত্রীকে তুলে দেয় আরেক লম্পটের হাতে
এরা এতোই জঘণ্য যে তাস খেলার মতো অন্যের সাজানো সংসার তছনছ করতে কুন্ঠাবোধ করেনা!
এরা চরম মিথ্যাবাদী,কথায় কথায় ভন্ডপীরের মতো মিথ্যার কারিশমা দেখায়,
মুখোশের আড়ালে এর ছদ্মবেশী ভদ্রলোক সেজে সভ্য সমাজের ভদ্রতার ভাব দেখায়
এরা গোপনে বেশ্যালয়ে নিশি যাপন করে,সামান্য বেশ্যার কাছে সে মাথা নিচু করে
সভ্য সমাজে এসে মুখ রাঙিয়ে বলে-ছি: ছি: কোন যমানায় এসে পড়লাম,ছি: কি জঘন্য ব্যপার
অথচ এরা পতিতার নোংড়া বীর্যের পুকুরে নির্লজ্জের মতো গোসল করে পবিত্রতার ভান করে,
এরা প্রচন্ড লোভী, সামান্য এক কাপ চায়ের বিনিময়ে কয়েকবার বিক্রি হয়ে মনকে করে রদবদল
এরা পাপের কলঙ্ক গায়ে মেখে পবিত্র ধর্মাশালয়ে সাপ্তাহিক দিনটিতে দৃঢ় ইমান্দার সাজার চেষ্টা করে।
এরা জানোয়ারের চেয়েও নিকৃষ্ট; শুয়োর-কুকুরের মতো জাতির হাড়-হাড্ডি সবই খায়
এদের দুজনকে জেনেছি আমি অতি সম্প্রতি,এরা তছনছ করে দিয়েছে নব দম্পতির সুখের সংসার
এক ঘোর রহস্য ধাঁধার ভিতর ফেলেছিল আমাকে,হয়তো ইচ্ছে ছিল আমাকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার
এদের একজন ছিলো আমার স্ত্রীর সহোদর মামা,আরেকজন সম্পর্কিত সূত্রে নানা,
এরা অর্থ লিপ্সায় আমাকে ধ্বংসের মুখে ফেলতে বারবার সাজায় এক একটি নাটকের স্ক্রিপ্ট,
আমাকে ওরা সর্বস্বান্ত করতে ওদের শুরু হয়েছে হাজারও দৌড় ঝাপ,নাটকের পর নাটক,
অথচ ওদের আসল মুখোশ উন্মোচন করে দিলে সভ্য মানুষদের মুখের থুথু শোভা পাবে তাদের অবয়বে।
এরা মুনাফিক,কথায় কথায় গল্প বানিয়ে ধোঁকাবাজির কায়দায় অন্যকে ফাঁদে ফেলে অর্থ রোজগার করে,
রক্তচোষা জোকের মতো চুষতে থাকে যতক্ষণ না আয়ত্তে আনা মানুষটির অর্থ শেষ না হয়,
আমাকেও খেয়েছে ওরা, চুষে চুষে খেয়েছে প্রায় ১৩ থেকে ১৭ হাজার টাকা,কেঁড়ে নিয়ে সুখ-শান্তি
ধ্বংস করেছে দাম্পত্যের জীবন, কলঙ্কের চাঁদরে লেপন করে দু’পরিবারকে ঠেলে দিয়েছে চরম লজ্জায়
এদের আজ মুখোশ উন্মোচনের পালা,এরা সমাজের বিষাক্ত ভাইরাস,ঘাতক পেশায় এরা দালাল
এদের বুক পিঠ নেই,একই গ্লাসে নানা রঙের তরল পদার্থ সেবন করে,যেখানে বিধান এদের কাছে তুচ্ছ
প্রযুক্তির এই সভ্যতায় ওদের মুখোশ খুলে দিতে নতুন করে আবার কলমের আচরে লিখতে শুরু কর লাম।
৬ ফেব্রুয়ারী,১৩। বুধবার।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন