মঙ্গলবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০১৩

মানুষ যেভাবে বেঁচে থাকে

মানুষ যেভাবে বেঁচে থাকে
পর্ব-১
প্রকৃতি যেমন বিচিত্র-বর্ণিল। ঠিক মানুষের জীবনটাও বিচিত্র। নানা বর্ণের নানা রঙের মিশ্রনে কাটে মানুষের জীবন। প্রকৃতি পাল্টায় রং,বর্ণ,সময়। আর মানুষের জীবনেও আসে এক একসময় একেক মুহুর্ত বা সময়। সব সময় মানুষের এক যায়না। জীবন চলার পথে সময়ে সময়ে ঘটে অনেক কিছু। সেই নানা বৈচিত্র্যতায় মানুষের জীবন যখন যেভাবে কাটে,সে রঙের চিত্র আমার চোখে অনেক দিন ধরেই চলচ্চিত্র দীর্ঘ ছবির মতো ৩ ঘন্টার চলছিল। তাই আজ মানুষ যেভাবে বেঁচে থাকে,তেমনি এক চিত্র তুলে ধরার জন্য পাঠকের পড়ার আয়নায় হাজির হলাম।


মানুষ বেশ কয়েকটি ধাপে বেঁচে থাকে তা নিন্মরুপ-
জন্ম থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত 
মানুষ জন্ম থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বিভিন্ন পরিবেশে বেঁচে থাকে। নানা রঙ,নানা ঢঙ নিয়ে রুপ নেয় একেক সময়। যেমন-মানুষ যখন মাতৃগর্ভ হতে ভূমিষ্ঠ হয়,তখন সে নিত্যান্তই এক শিশু। তখন তার কোন বোধগম্য থাকে। থাকে না বোধশক্তির জ্ঞান। আরেকজন মানুষের সাহচর্যে তাকে আস্তে আস্তে পরিণত হতে হয়। সেই আরেকজন হলোই পরম মমতাময়ী মা। এরপর বাবার আদর,আত্নীয়-স্বজনের স্নেহ। এভাবেই মানুষ শিশু থেকে পৌছে কিশোরে। কিশোর বেলায় মানুষের রং হয় আরেক। যেটা শিশু থেকে অনেকটাই ভিন্ন। কিশোরে মানুষ নানা কিছু বুঝতে চেষ্টা করে। প্রাথমিক শিক্ষা মা-বাবার কাছ থেকে গ্রহণ করে। এরপর স্কুল-মকতব থেকে জ্ঞান অর্জন। সময় গড়ায়। সময়ের পরিক্রমায় প্রকৃতির ঋতুর পরিবর্তনের সাথে মানুষ পৌছে যৌবনে। যৌবনের রং কিশোর থেকে আরও ভিন্ন। উদ্যম শরীর,দেহ-মনের অস্বাভাবিক পরিবর্তন। কিশোর থেকে সে তখন সম্পূর্ণ আলাদা। রুপ-রস,চাহিদা,বেশ আগের তুলনা অনেক উন্নত। যৌবনে মানুষের মনের ভিতর খেলা করে ব্যাপক চঞ্চলতা। ভাল-মন্দ জ্ঞান এসময় জানা হলেও যৌবনের উত্তেজনায় অপরাধমূলক কাজও ঘটে।
শিক্ষা জীবন সমাপ্ত করে প্রবেশ করে কর্মক্ষেত্রে। এখানেও আরেক রং লক্ষ্য করা যায়। কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করে অর্থ উপার্জনের দিকে ছোটে। এ যে বেঁচে থাকার ভবিষ্যত পথ রচনা করার সময় যৌবনকাল। এসময় মানুষ ভবিষ্যত রচনার জন্য জীবনে যোজন করে আরেকজন সঙ্গী। যাকে আমরা প্রণয় বা বিয়ে বলি। এখানেও আরেক রঙ। সঙ্গীর যোজনের পর শুরু হয় সংসার। পরিবারের চিত্রও আলাদা। 

বুঝতে বুঝতে এতোটা দূর..

বুঝতে বুঝতে এতোটা দূর..


বুঝতে বুঝতেই এতোটা দূর জীবনের সময় পেরিয়ে এসেছি
সেই মাতৃগর্ভ হতে ভূমিষ্ঠ হয়েই বুঝার পাঠক্রমের যাত্রা শুরু
শৈশবের গড়াগড়ি,তারপর শিশুর মতো চঞ্চলতার চড়ই-ফড়িংয়ের খেলা
মা-বাবার কড়া শাসন,ওখানে যাবে না,ওখানে জ্বীনপরী-বাঘ-ভাল্লুক আছে
এতোসব ভয়,সামান্য বুঝতেই ভয়ে কুকড়ে যেতাম,পাখির পালকের মতো-
মায়ের আঁচলে আশ্রয় নিতাম,যেভাবে আশ্রয় নেয় মুরগীর ছানাগুলো বাজপাখির ভয়ে।

এরপর কিশোর জীবনের যাত্রা;স্কুলে নয়তো ক্ষেতখামারে বাবার সাথে হাল চাষ
একটু দেরি হলেই শুরু হত অত্যাচার,শরীরের বিভিন্ন স্থানে লাঠির নির্মম আঘাত
স্কুলে পড়া না হওয়ার মাষ্টারের চাবুকাঘাত,সহপাঠদের সাথে হাসি-ঠাট্টা মারামারি
বুঝতে বুঝতেই প্রাইমারির অধ্যায় শেষ;অত:পর কিশোর পথে যাত্রা শুরু
জীবন তালিকায় নতুন দিনপুঞ্জী,নতুন ফর্মুলা,নয়া উদ্দমতায় সামনে এগিয়ে যাওয়া
পিছিয়ে থাকা জীবনের অর্থ নয়,জীবনকে জানতেই বুঝতে বুঝতে এতোটা দূর..

বুঝতে বুঝতেই কেটে গেছে শৈশব-কিশোর,এখন যৌবনকাল যাওয়ার অপেক্ষা
জীবনকে সুখী করতে কর্মস্থলে দৌড় ঝাপ,সংসারে মাঝিমাল্লার মতো ধরতে হয় হাল
জীবন তরী বইতে থাকে;সংসারে যোগ হয় নতুন অতিথি স্ত্রী-সন্তান,নাতি-নাতনী
চুলে পাক ধরে,দাঁড়ি-গোঁফ সাদা হয়ে আসে এক সময়,গর্বে অহংকার করি,
আরে মিয়া চুল-দাঁড়ি গোঁফ এমনি এমনি পাকেনি;বয়সে পেকেছে-
বুঝতে বুঝতে কাটিয়ে এসেছি এই বয়স,আর কত বুঝাবার চাও……..বলো দেখি?

এবার শেষ বুঝার পালা,জীবনের পরতে পরতে করেছি কতো অন্যায়-অবিচার
অন্যের সম্পদ করেছি আতœসাৎ,মুনাফিকের আচরন নিয়ে কাটিয়েছি জীবন,
অন্যের গীবত গেয়েছি,প্রতারণার ফাঁদে কাউকে করেছি স্বর্বস্বান্ত,করেছি রাস্তার ফকির
অর্থের লোভে কাউকে করেছি নির্মমভাবে খুন,অত্যাচার করেছি স্বীয় যৌবনের তাগিদে
কিছু ভালো কাজও করেছি,বিভিন্ন স্থাপনা-দান দক্ষিণাতেও বাড়িয়েছিলাম স্বীয় হস্ত হাত
আজ সামনে অন্ধকার;কেউ অপেক্ষা করছে আমাকে নিয়ে যাওয়ার,তবুও বুঝতে চেষ্টা করি।
২৯.০১.১৩

রবিবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০১৩

যন্ত্র সভ্যতার অস্থিরতা



যন্ত্র সভ্যতার অস্থিরতা

প্রিয় পাঠক,চলমান প্রযুক্তির যন্ত্র সভ্যতার সাথে প্রতিনিয়ত লড়ে যাচ্ছি। নিজেদেরকে সপে দিয়েছি যন্ত্রের কাছে। বলা যায় এই একুশ শতাব্দির মানব প্রানী হিসেবে আমরা যন্ত্রের কাছে নেহায়েতই অসহায়। দাসে পরিণত হতে চলেছি। যন্ত্র ছাড়া যেন আমাদের এক মুহুর্ত চলে না। চলতে-ফিরতে হাতের কাছে সংগী হিসেবে সাহায্যকারী হিসেবে থাকে যন্ত্র। আত্মরক্ষা,অন্যকে ধ্বংস করতে প্রয়োজন এই অস্ত্র বা যন্ত্র। চিকিৎসা বিজ্ঞানে যন্ত্রের কোন বিকল্প নেই। এই যন্ত্রনির্ভর জীবনে যে হরহামেশাই আমরা বিরক্ত হয়ে অস্থিরতা বোধ করছি না,সেটাও কেউ হলফ করে বলতে পারবো না। এই যন্ত্রের কাছে আমরা কতটা অসহায়,অস্থিরতা বোধ করছি সেটা ধারাবাহিক চলবে আমার এ পোষ্টের আয়োজন। আসুন দেখি আজকে দেখব বর্তমান জীবন চলতে,জীবনের সাথে অংগের মত লেপ্টে থাকে একটি যন্ত্র সেটার নাম কি জানেন? নিশ্চয় বলে উঠবেন-মোবাইল। হ্যাঁ এই মোবাইল নিয়ে সচিত্র বর্ণনা করে যাব। তো দেখা যাক মোবাইল নিয়ে অস্থিরতার কারণগুলো---------

‘সেদিন কেউ একজন মর্মাহত হয়ে বলেছিল নিজ স্ত্রীর সাথে এক রাতে সহবাস না করলেও থাকা যাবে,কিন্তু ওই রাত্রে যদি মোবাইলটি হাত ছাড়া হয়ে যায়,তাহলে কষ্টের সীমা থাকবে না’।

মোবাইলে কানেকশন না পেলে যে অবস্থা হয়:
ধ্যাৎতুরি মোবাইলে নেটওয়ার্ক নেই,মেজাজটা খারাপ হবে না; কাজের সময় নেটওর্য়াক থাকে না। চরম এক অস্থিরতা লক্ষ্য করা যায় এখানে।
এই কথাগুলো খুব অস্থিরতা বাড়িয়ে দেয়:
** দু:খিত আপনার মোবাইলে এখন যথেষ্ট পরিমাণ টাকা নেই। অনুগ্রহ করে রিচার্জ করুন।
প্রথম বন্ধু: দোস্ত হলো না হলো না...
দ্বিতীয় বন্ধু: কি হলো না...
প্রথম বন্ধু: আর কইস না,সমিনার সাথে বেশ প্রেমের রস গল্পে মেতে উঠেছিলাম। ঠিক এই মুহুর্তে মোবাইলে ব্যালেন্স নেই, কি অসহ্য যন্ত্রনা,দে তো বিশটা টাকা-
প্রথম বন্ধু: কি করবি?
দ্বিতীয়: মোবাইলে রিচার্জ দিতেই হবে
প্রথম বন্ধু: স্যরি দোস্ত তোর মোবাইলে রিচার্জ দেওয়ার মত ২০টাকা আমার কাছে নেই।
দ্বিতীয়; ওহ..অসহ্য.........যন্ত্রনা...।

** দু:খিত আপনার কাংখিত নাম্বারটিতে এই মুহুর্তে সংযোগ দেয়া সম্ভব নয়,অনুগ্রহ করে আবার ডায়াল করুন
** নেটওয়ার্ক নেই,ইমারজেন্সী........
** আপনার ডায়াল করা নাম্বারটি এই মুহুর্তে ব্যস্ত আছে।
** আপনি এখন কল ওয়েটিং এ আছেন।
** আপনার কাংখিত নাম্বারটি এখন আর ব্যবহৃত হচ্ছে না

মোবাইলের নানা চিত্র :

চিত্র-১


চিত্র-২

চিত্র-৩




শনিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০১৩

প্রবন্ধ: মানুষ যা করতে পারে



ভূমিকা : সৃষ্টি নিয়ে খেলছেন সৃষ্টিকর্তা ও মানুষ
মহান আল্লাহ তা’আলা কুরআনে সূরা বাক্বারায় তাঁর ফেরেশতাকুলকে একদিন ডেকে বললেন, আমি পৃথিবীতে ইনসান (মানুষ) সৃষ্টি করতে যাচ্ছি। এ কথা শুনে ফেরেশÍারা বলে উঠলেন, হে মহান রব আপনি কি এমন এক কওম পৃথিবীতে সৃষ্টি করতে যাচ্ছেন, যারা পৃথিবীতে রক্তপাত ঘটাবে,হানাহানি ও খুনখারাপিতে লিপ্ত থাকবে। মহান রব বললেন,আমি যা জানি তোমরা তা জানো না। সেই থেকে ফেরেশতারাও মহান সৃষ্টিকর্তার মানুষ সৃষ্টির রহস্য জানতে পারলো না। মহান প্রভু মানুষ সৃষ্টি করলেন মৃত্তিকা অর্থাৎ মাটি থেকে। এ বিষয়টা আমরা প্রত্যেক মুসলমানই জানি। মাটির তৈরি প্রথম আদিম ও সমস্ত মানবকুলের আদি পিতা হযরত আদম (আ.)। আদম (আ.) কে জান্নাতে দেওয়া হলো। কিন্তু একাকী জীবন অতিষ্ঠ। সৃষ্টির যুগল তৈরি করে দিলেন পৃথিবীর অনন্য আকর্ষণীয় এক সৌন্দর্য্যশীল মানবী নারী হাওয়া (আ.)। কিন্তু মানুষ সৃষ্টির বহুপূর্বে মহান সত্তা আরেক আশ্চর্য্য সৃষ্টি জ্বীন জাতিকে পৃথিবীর বুকে সৃজন করেছিলেন। তবে জ্বীন জাতিকেও নির্মূল করলেন এক নাটকীয়তায়। কেননা জ্বীন জাতিরা পৃথিবীতে বিচরণ করতো উচ্ছৃংখলভাবে। কোন বাঁধা মানতো না, নিয়ম মেনে চলতো না। সারাক্ষণ মারামারি,কাটাকাটি আর রক্তপাতে লিপ্ত থাকায় মহান আল্লাহ্ তা’আলা সমূলে ধ্বংস করে দেন জ্বীন জাতিকে। কিন্তু দৈবক্রমে বেঁচে যান আযাযীল খাবিশ। যাকে আমরা ইবলিশ শয়তান বলে জানি। এখানেও মহান আল্লাহ তা’আলা এক অকল্পনীয় খেলা খেলেন আযাযীলকে বাঁচিয়ে। তিনি ইচ্ছা করলে মেরে ফেলতে পারতেন ওই সময়েই যখন জ্বীন জাতিকে ধ্বংস করা হচ্ছিল। কিন্তু মহান সৃষ্টিকর্তা সেটা করেননি। প্রত্যেক খেলাতেই প্রতিপক্ষ থাকে। যেটা মানুষের সাথে ইবলিশ শয়তানের পতিপক্ষতা। মহান আল্লাহ্ তাআলা কুরআনে একাধিকবার মানুষকে হুশিয়ার করে বলেছেন-নিশ্চয় ইবলিশ শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।
সৃষ্টি নিয়ে চিন্তাধারা :
পৃথিবীতে মানুষের প্রথম আবির্ভাবের পর শুরু হয় জীবনধারণ। কিভাবে সে জীবন ধারণ করবে, কিভাবে চলবে, তার চালচলন বা কিরুপ হবে। তা প্রাথমিক ভাবে মহান আল্লাহপাক আদি মানব হযরত আদম (আ)কে শিক্ষা দিয়েছিলেন। যেকোন অবস্থান নির্ভর করে পরিবেশের উপর। কোন পরিবেশে কিভাবে চলতে হয়। তাই মানুষ অর্থাৎ আদি মানবরা প্রথম জীবন ধারণের জন্য বাসস্থান,খাদ্য যোগানকে কেন্দ্র করে চিন্তা করেছিল, এমন কি সৃষ্টি করলে থাকার একটি ঘর হবে। খাওয়ার জন্য খাদ্যের ব্যবস্থা হবে। চিন্তা শক্তিতে এক সময় ধরা দিল খরকুটো দিয়ে ঘর বানানো, আগুন জ্বালানোর জন্য পাথর দিয়ে ঘর্ষন। থাকার ঘর,আলো জ্বালানোর ব্যবস্থা তো হলো। এখন পানি রাখার জন্য পাত্র কিভাবে তৈরি করা যায়। প্রকৃতির কাছে মানুষ ঘুরতে ঘুরতে এটাও শিখল গাছের মাঝ অংশে খানিকটা গর্ত করে জল রাখার ব্যবস্থা। খাদ্য গ্রহণের জন্য মানুষ জানতে পারলো প্রকৃতির অরণ্য জঙ্গলের ফলফলান্তি। নিজের লজ্জাস্থান ঢেকে রাখার জন্য লতা-পাতা দিয়ে পোশাক বানানো। জীবন ধারণের জন্য খাদ্য ব্যবস্থার জন্য শিকার ছিল অন্যতম। শিকারের দ্বারা আদি মানুষরা পশু-পাখি,জলের মাছ সহ প্রাণীদের দ্বারা খাদ্যের ব্যবস্থা করতো। বাস্তস্থান হিসাবে খড়ের চাল,পাহাড়ের গুহা,গাছের শাখা ব্যবহার করতে করতে এক সময় আদি মানুষ পৌছে গেল একটু উন্নত পরিবেশে। কালের ধারাবাহিকতায় মানুষ নিজেকে নানাভাবে পাল্টাতে শিখলো। নিজের জংলী ভাবটাকে কাটাতে শিখলো। বের হয়ে এলো মুক্ত পরিবেশে। জংগল আর পাহাড়ের গুহা ছাড়লো। জাতি সভ্যতা নিল ভিন্ন রুপ। জাতি বিভাজন হয়ে ছড়িয়ে পড়লো সমস্ত পৃথিবীর বুকে। আস্তে আস্তে মানুষ জানতে লাগলো পৃথিবীর বুকে কিভাবে রাষ্ট্রীয় ভাবে বাস করা যায়। সৃষ্টি হতে লাগল গোত্র থেকে সমাজ। সমাজ থেকে সীমারেখা ভূগোল। সেটাই ক্রমে রুপ নিল রাষ্ট্র হিসেবে। মানুষের এ পরিবর্তনের ধারায় সমাজ-পরিবেশ-প্রকৃতি পাল্টে গেল। পান্ডুলিপির পৃষ্ঠার মত একের পর এক পৃষ্ঠা উল্টাতে উল্টাতে পৌছে গেলাম আজকের এই প্রযুক্তির সভ্যতায়।
ধারাবাহিক

[মহান সৃষ্টির মধ্যে মানুষই হলো আশ্চর্য প্রাণী]

[এটা মানুষের সৃষ্টি]