শুক্রবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩


“বাংলার মানুষ কাদের মোল্লার এবার ফাসি দেখতে চায়” রণ সংগীতে তেঁতুলিয়া যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে প্রতিবাদের ঝড় !


বাংলাপোষ্ট২৪/ই:  পঞ্চগড় তেঁতুলিয়ায় “বাংলার মানুষ কাদের মোল্লার এবার ফাসি দেখতে চায়” মোঃ রিয়াজুল মোল্লার সংগীতে ৮ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সন্ধ্যায় গণপ্রতিবাদের মুখরিত হলো ঐতিহাসিক তেতুলতলা প্রাঙ্গন। গত মঙ্গলবার যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন কারাদন্ড রায় বাংলার মানুষ মেনে নিতে না পেরে রাজপথে নেমে এসেছিল।
কাঁপিয়ে তুলেছিল রাজপথ। এই রাজপথ জনতার ঢলে ঢাকা শাহবাগ যেন রুপ নিল প্রতিবাদের ঝড় তাহরির স্কয়ার। তাহরির স্কয়ার আন্দোলনের অগ্নিশিখা প্রজ্জ্বলিত করলো অনলাইন ব্লগার, ফেসবুক এক্টিভিট্সি, টুইটারসহ সামাজিক সংগঠনের স্টেটাস এবং কলম যোদ্ধারা। শাহবাগ পরিণত হলো প্রজন্ম চত্বর।
প্রজন্ম চত্ত্বরের আন্দোলনের ঢেউ উসলিয়ে পড়লো সারাদেশ। সারাদেশ এখন প্রতিবাদের ঝড়ে কাঁপছে বাংলার ৫৫ হাজার বর্গমাইলের ভুখন্ড।। রুপসা থেকে পাথুরিয়া, টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া বাংলাদেশের প্রতি ভুখন্ড প্রকম্পিত হলো যেন প্রতিবাদী কন্ঠের শব্দের বর্জপাতে।

বৃহস্পতিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩


মানুষ তার জীবনে যেভাবে মূল্যবান সময়গুলো ব্যয় করে

প্রযুক্তি এই দুনিয়ায় মানুষ যত না কর্মথ হয়েছে,অলস কিন্তু কম হয়নি। জীবন মানেই অনির্দিষ্ট একটা তরী। এটা কখন,কোথায় গিয়ে হঠাৎ থেমে যাবে তা কেউ বলতে পারে না। তাই মানুষের বলার সাধ্য নেই সে কত বছর বাঁচবে,কখন মারা যাবে,কিভাবে মারা যাবে। অনির্দিষ্ট জীবনের ভিতরও মানুষ বেঁচে থাকে আজকের যুগে গড় আয়ুর ৫০-৬০ কিংবা ৭০ বা তারও উর্ধ্বে। মানুষ বেঁচে থাকে আশায়। জীবনের পরতে পরতে স্বপ্ন দেখে। সেই স্বপ্নের নকশা এঁকে বাস্তবায়ন করতে উদগ্রীব হয়। জীবন মানেই স্বপ্ন। এই স্বপ্নের পিছনেই ছুটছে মানুষ। এই স্বপ্ন ঘিরেই আবিস্কার হয়েছে আজকের বিজ্ঞান। রুপ নিয়েছে প্রযুক্তি সভ্যতা। আজকের প্রযুক্তি সভ্যতা মানেই যান্ত্রিকতা। এই যান্ত্রিক সভ্যতায় মানুষ কিভাবে চলছে এরই ধারাবাহিকতায় আজ ঘুরে দেখবো মানুষ তার জীবনের সময়গুলো কিভাবে ব্যয় করছে।

পেশা ক্ষেত্রে :
মানুষ তার জীবনের মূল্যবান সময়গুলো কাটায় পেশা জীবনে। বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত থাকে একেক জন। পেশাগুলো হতে পারে-চাকরি, ব্যবসা,শ্রমিক ইত্যাদি।
জীবনে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন খাদ্য,বস্ত্র,বাসস্থান অর্থাৎ মৌলিক চাহিদার যাবতীয় কিছু। এসব পূরণের জন্য প্রয়োজন কর্ম। সেই কর্মকে সন্ধান করতে মানুষ বেছে নেয় পেশা জীবন। যারা সরকারি পেশায় নিয়োজিত তারা জীবনের ২৫-৩০ বছর টানা সময় কাটিয়ে দেন। দীর্ঘ একটা সময় লাগাটার কাটে। যারা আধা সরকারি অর্থাৎ সরকারি অনুমোদন আছে-বিভিন্ন এনজিও,ব্যাংক প্রতিষ্ঠান,স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা। এসব প্রতিষ্ঠানে মানুষ তার জীবনের দীর্ঘ সময় ব্যয় করে। এছাড়া যারা নিজের স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান  কোম্পানী,ব্যবসা মূলক কাজকে পেশা হিসেবে ব্যয় করে জীবনের মূল্যবান সময়। কেউ একজন বলেছিল-পৃথিবী ঘুরে সূর্যের চারদিকে,আর মানুষ ছুটে টাকার পিছনে”। অর্থগত তাই,মানুষ জীবনের বেঁচে থাকার অবলম্বন হিসেবে উপার্জন করে অর্থ। সেই অর্থ দিয়ে জীবনের চাহিদা পূরণের জন্য সময় ব্যয় করতে হয়।

[পেশাগত জীবন]
বেকারত্ব ক্ষেত্রে : মানুষের জীবনের একাংশ কাটে ভবঘুরে। যাদের আমরা বেকার বলে চিহ্নিত করি। পেশাজীবনে কিংবা নিজের কোন কর্মস্থল না হওয়া পর্যন্ত মানুষের জীবনের মূল্যবান সময় অপচয় হয় এখানে।

অবসর ক্ষেত্রে : জীবন যখন ক্লান্তি অনুভব করে। তখন মানুষ খুঁজে নেয় একটু শান্তি। এই একটু শান্তির ভিতরও কিন্তু সময় কাটায় শিক্ষা-দীক্ষায়-গবেষণায়। যেমন-সারাদিন পরিশ্রমের ফলে শরীর হয়ে আসে ক্লান্ত। সেই ক্লান্তির বিষাদকে দূর করার জন্য মানুষ রাতের সময়টিকে বেছে নেয়। ঘূমের ভিতর কাটে একাংশ সময়। কারও কর্মস্থল থেকে অবসর নিয়ে জীবনের বাকিটা সময় কাটায় বিভিন্ন পত্রিকা,বই,সিনেমা ও টেলিভিশন এর মাধ্যমে। 
অপর দিকে প্রযুক্তির যান্ত্রিকতায় মানুষের আরও মূল্যবান সময়গুলো কাটছে অনলাইনের ভিতর। কেউ সারাদিনই কম্পিউটার কিংবা মোবাইলে ফেসবুক, টুইটার,ইউটিউব, ব্লগ তথা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে কাটিয়ে দিচ্ছে জীবনের মূল্যবান সময়গুলো।

ফেসবুকে কাটছে সময়
আড্ডার ক্ষেত্রে : আড্ডা মানেই আনন্দ-উল্লাস। মানুষের জীবনের কাংখিত চাওয়া আনন্দ ভরা হোক তার জীবন। তাই সে জীবনের সব কষ্ট,ক্লান্তি-অবসাদকে দূর করতে আয়োজন করে আড্ডা। এই আড্ডার ভিতর বনভোজন,চায়ের স্টল, ভ্রমন ,সংগীত,সাহিত্য চর্চা অনুষ্ঠান হতে পারে। এসবের ভিতর মানুষ জীবনের সময়গুলো ব্যয় করে।

বিরহ-যন্ত্রণা ও রোগ শয্যা: মানুষের জীবন যেমন আনন্দ-উল্লাসে কাটে। অপর পিঠে জীবনের একাংশ সময় কাটে বিরহ যন্ত্রণায়। এটা হতে পারে প্রেমে ব্যর্থ,বিবাহ বিচ্ছেদ। এ দুটোতে মানুষ তার জীবনের সময় কাটায় নষ্ট জীবনের মতো। ধুমপান,মদপানের ভিতর কাটে এক ঘোর সময়। অপর দিকে কেউ জীবনের দীর্ঘ সময় কাটায় নানা রোগে আক্রান্ত অবস্থায়। কারও সময় কাটে মুমুর্ষ অবস্থায়। কারও দূর্ঘটনায় পরে বিকলাঙ্গ হয়ে হুইল চেয়ারে বসে।


চলবে
০৭.০২.১৩

মঙ্গলবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

এই মানুষগুলো সভ্যতার কলঙ্কের নকশা


এই মানুষগুলো ভীষণ খারাপ;শয়তানের চেয়ে নিকৃষ্ট
এদের মাথার ওপর আবু জেহেলের বাড়ীর মতোন টয়লেট বানানোর দরকার
মল-মূত্র ফেলার নর্দমার খাল খনন করার দরকার,এরা এতোই জঘণ্য
এদের বুক-পিঠের কোন পাথর্ক্য নেই,শয়তানকেও ধোঁকা দিতে এরা সক্ষম
এরা মানুষ নামের ভয়ংকর এক নোংড়া জানোয়ার,শূয়োর বললেও ভুল হবে না
এরা একই প্লেটে দুধ-মাছ-মাংসের সাথে পায়খানার বর্জ্য তরকারির মতো খেতে পারে
ধর্মের বিচারে এদের মানুষ বলে না,নিকৃষ্ট এক দ্বিপদী মানুষরুপী জানোয়ার ছাড়া!!

এই মানুষগুলো বড়ই ধোঁকাবাজ,মিথ্যাকে সত্য করতে হাজারও নাটক সাজায়
বিবেকহীন নির্দয় হৃদয়,সামান্য স্বার্থ ঊনিশ-বিশ হলেই ধ্বংসযজ্ঞের পায়তারা চালায়
এরা প্রতারক,ধোঁকাবাজ,ভেল্কিবাজ,চোখ ধাঁধানো আতবাজির ভিতর তাসের খেলা খেলে
স্বার্থ ফুরোলেই বিষাক্ত কালনাগের মতো ধ্বংসলীলা খেলতে ফণা তুলে ফুঁস ফুঁস করে
হাজারও কলঙ্কের দাগ আঁচর কাটলেও কিছু মনে করেনা,এরা যে নির্লজ্জ বিশ্ব বেহায়া
অন্ধ বিবেকে স্বীয় কন্যাকে ধর্ষণ কিংবা খুন করে,স্ত্রীকে তুলে দেয় আরেক লম্পটের হাতে
এরা এতোই জঘণ্য যে তাস খেলার মতো অন্যের সাজানো সংসার তছনছ করতে কুন্ঠাবোধ করেনা!

সোমবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

স্বপ্ন ভাঙনের নদীর চর
চিঠি-১
নীল নয়োনা,
স্বপ্ন বিভ্রমের পর চরম হতাশায় ভুগছি আজ। দীর্ঘ চার মাসের সংসার জীবনের ইতিবৃত্ত ঘটালে গত ৮জানুয়ারী। আমার আশার বাগানে ফুটন্ত ফুলগুলো অকালে ঝরে পড়লো তোর কান্ডজ্ঞানে। তুইও চলে গেলি,ফুলগুলো ঝরে পড়লো সে রাতেই। যে বাগানে ফুটেছিল নানান রঙের সুবাস ঝরা ফুল। ঘ্রাণে ঘ্রাণে ভরে উঠতো পুরো বাড়ির আঙিনা। তুই যে ছিলি আমার বাগানের সবচে প্রিয় মানবী ফুল। তোর বিচরণে ফুলেরা সরব হয়ে উঠতো। রঙিন প্রজাপতিরা ডানা মেলে আনন্দে এদিক-সেদিক উড়াউড়ি করতো। মুহুমুহু করতো মধু-পোকারা। সন্ধ্যার আঁধারে জোনাকিদের মেলা বসতো। ঝলমলের সে রঙিন আলোয় স্বপ্নের নীড় রুপে সজ্জিত হত আমাদের বসতঘর। এখন আর এই বাড়ির কোন প্রাণবন্ততা নেই। মৃত্যুপুরীর মতো দাঁড়িয়ে আছে আজ আমাদের প্রাণবন্তহীন নির্জন বাড়িটা।

পুরো বাড়ি জুড়ে এখন নিরানন্দের বিলাপ। গৃহ আঙিনা জুড়ে ধরা পরে শুধু শুকনো পাতার হলুদ-রাঙা রঙ। তুইহীন শুন্যতা, শুকনো পাতার হাহাকার কান্নায় আমিও মর্মাহত হই। ভুলতে পারি না তোকে এক মুহুর্ত। চোখ বন্ধ করলেই তোকে দেখি। খেতে বসলে তোর ছবি ভেসে উঠে। মনে হয় তুই আমাকে খাওয়াচ্ছিস। থালায় ভরে দিচ্ছিস তোর নিজ হাতের পছন্দকৃত রান্নার সব সুস্বাদু খাবার। তোকেও কাছে টেনে খেতে বলি,নীল তুইও বোস না; কত দিন ধরে যেন তুই-আমি পাশাপাশিএকত্রে বসে খাই না। খাবার নিয়ে রসিকতা করিনা;তোর থালার মাছটা আমি ছিনিয়ে নিতে পারিনা। বোস বোস...আবার স্বপ্ন বিভ্রম। রাতের খাবার একাই খাচ্ছি। খাবার মুখে নিচ্ছি কিন্তু ঢোক গিলতে পারছি না। বুকটা প্রচন্ড ব্যথা হয় তোকে ছাড়া। মনটাও নিস্প্রাণ হয়ে যাচ্ছে ইদানিং। জানিনা এই নিস্প্রাণতার ভবিষ্যত পরিণতি কি?