পৃথিবীর পথে আমি
অনন্তর পথ হেটে চলেছি আমি এই পৃথিবীর পথ প্রান্তরে
অত:পর দেখলাম পৃথিবীর মায়াবি আকর্ষিত মুখ
কালের গর্ভে হারালো কত এক একটি সভ্যতা
একবিংশ শতাদ্ধির আমি একজন পৃথিবীর যন্ত্র সভ্যতার মানুষ।
বীর্য-শুক্রানু হতে সামান্য মানুষ আমি
অভিনব আমার মাটির দেহে রক্ত মাংসে পিন্ডব
কি অদ্ভূত দোলাচলে হেটে চলি আমি
অথচ আমি বারবার সময়ের পরিবর্তনে রুপ নেই।
‘এ পার্থিব তো নিছক খেলাধূলা ছাড়া আর কিছুই নয়’
কুরআনের এ অমৃত বানী জেনেও আমি নিমগ্ন পার্থিব মোহের প্রতি
মৃত্যুকে ভুলে যাই স্রষ্টাকে ভুলে মিশে যাই অন্যায় অবিচার-পাপাচারে
অবশেষে মৃত্যু আমাকে ঘিরে ধরলেই বোধগম্যতে ফিরি আসলে এ পার্থিব কিছু নয়।
আমি সহচর পৃথিবীর বুকে কত চিত্র-বিচিত্র দর্শন করি
নিজের পরিবর্তন দেখে কতবার বিচলিত হই,
কালের গর্ভে হারিয়ে যাওয়া সভ্যতার ইতিহাসে ফিরে পাই
আমার বৃদ্ধতা হওয়ার বিষয়টা কেন ভাবতে উন্মুখ হই।
আমি অনন্তর দেখেই চলেছি পৃথিবীর রুপ
বীর্য থেকে ভ্রুন,তারপর সদ্য প্রসবিত শিশু অত:পর মানুষ
সময়ের চক্রে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠায় নানা পরিবর্তনের পিন্ডবের ছাপ
পৃথিবীর প্রথম গোলার্ধ থেকে আজ শেষ গোলার্ধে এসে ভাবতেই হয়ে যাই বিস্মুখ।
[অচীরে আসছে 'ডিজিটাল মানুষ,অন্ধ বিশ্বাস,নিষিদ্ধ ব্লু-ফিল্ম ধ্বংস,অক্ষত লাল গোলাপ জীবন্ত ষোড়শী' গল্পগুলো পোষ্টের মাধ্যমে]
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন